১০:০০ AM : ক্যানিং রেলওয়ে স্টেশন থেকে অটো / টাটা ম্যাজিক দ্বারা পিক-আপ করে গোধখালি লঞ্চ ঘাটে নিয়ে যাওয়া হবে, সেখান থেকে বোটে উঠতে হবে। প্রথম দিনের ব্রেকফাস্ট অন্তর্ভুক্ত নয়।
১:৩০ PM : লাঞ্চ।
২:০০ PM : পাখিরালায় পৌঁছানো। পাখিরালা সুন্দরবন টাইগার রিজার্ভের ঠিক বিপরীতে অবস্থিত। চারপাশে গ্রাম, জঙ্গল ও নদীর মনোরম হাওয়ায় ঘেরা এই জায়গায় আপনি একটি শান্ত ও আনন্দময় উইকএন্ড উপভোগ করতে পারবেন।
৪:০০ PM : বোটের মাধ্যমে সুন্দরবনের বার্ড জঙ্গল ঘুরে দেখার জন্য একটি সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ। নদীর মাঝে সুন্দর সূর্যাস্তের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য উপভোগ করার পর সন্ধ্যা ৬টার দিকে আবার পাখিরালায় ফিরে আসা হবে।
৭:০০ PM : স্থানীয় লোকসংগীত ও লোকনৃত্যের অনুষ্ঠান। এর সাথে থাকবে কমপ্লিমেন্টারি স্ন্যাকস এবং চা / কফি।
১০:০০ PM : ডিনার এবং হোটেলে রাত্রীযাপন।
৮:০০ AM : সকালে আমরা বোটের মাধ্যমে সুন্দরবন ডেল্টা সাফারি শুরু করব।
৮:৩০ AM : আমাদের সরকারি পর্যটক গাইডের নেতৃত্বে সাজনেখালি টাইগার রিজার্ভে জঙ্গল সাফারি শুরু হবে।
৯:৩০ AM : এরপর বিভিন্ন নদী, দ্বীপ ও ছোট ছোট খাঁড়ি দিয়ে রোমাঞ্চকর বোট সাফারি শুরু হবে। এই ভ্রমণে পিরখালি, সরখালি, গাজিখালি, দেউল ভারানি, বনবিবি ভারানি এবং সুধান্যাখালি ওয়াচ টাওয়ার এলাকা ঘুরে দেখা হবে। এখানে আপনি হরিণ, কুমির, বুনো শূকর, সাপ, জল মনিটর লিজার্ড, বিভিন্ন প্রজাতির পাখি এবং ভাগ্য ভালো থাকলে রয়েল বেঙ্গল টাইগারও দেখতে পারেন।
১২:৩০ PM : দোবাঙ্কি টাইগার রিজার্ভ এলাকা ও ওয়াচ টাওয়ার পরিদর্শন। দোবাঙ্কির ৮৯৬ মিটার দীর্ঘ ক্যানোপি ওয়াক থেকে জালঘেরা পথ দিয়ে বনের ভেতরের বন্যপ্রাণী কাছ থেকে দেখার সুযোগ পাওয়া যায়।
১:৩০ PM : পাঁচমুখনী (৫টি নদীর মিলনস্থল) পরিদর্শন।
৪:০০ – ৫:০০ PM : সুন্দরবন জঙ্গল ট্যুর শেষ করে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়া হবে।
৮:০০ – ৯:০০ PM : কলকাতায় পৌঁছানো।
আমরা আপনাকে সর্বোত্তম পরিষেবা দেওয়ার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাই ভ্রমণের সময় আমাদের সঙ্গে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ করছি, যাতে এই সফরটি আপনার জীবনের একটি স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হয়ে ওঠে। 🌿
আপনার ভ্রমণের পরিকল্পনা করুন — এখনই এই ট্যুর বুক করুন!